Introduction

তপস্যাকালের নির্জন ধ্যান

Click to enlarge this image

সাধু যোহন রচিত মঙ্গলসমাচারের চতুর্থ অধ্যায়ে আমরা দেখতে পাই যীশু কুয়োর ধারে একজন মহিলার সাথে সাক্ষা্ৎ করছে। আমরা জানি যীশু তাকে সাহস যুগিয়েছিল। দিয়েছিল নব প্রেরণা। এই নির্জনধ্যানটি হতে পারে এমনি এক সময় যখন ঈশ্বর আপনার জীবনে নিয়ে আসবে নতুন কিছু। আপনি ঈশ্বরের সাথে জীবনের কিছু বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে কথা বলুন। মাঝে মাঝে হয়তোবা ব্যস্ততার দরুণ, বা অবহেলার দরুণ আমরা জীবনের অতি প্রয়োজনীয় কথাটি শুনতে পাই না। আমারা সবাই চাই ঈশ্বরের সাথে সময় কাটাতে,আর নির্জন ধ্যান হলো এক উত্তম সময়। এমনকি আমরা একান্তে নিজের সাথে সময় কাটাতে পারি নির্জন ধ্যানের সময়।

প্রস্তাবনা

আমরা এখানে কিছু প্রস্তাবনা রাখছি যা আপনাকে সাহায্য করবে প্রার্থনা করতে। আমরা তিনটি ধাপের প্রার্থনার প্রস্তাবনা রাখছি এবং প্রত্যেকটি ধাপের জন্য আলাদা আলাদা সামসংঙ্গীত রয়েছে। ইহুদিদের এই  প্রার্থনাগুলি আবৃত্তি করেছিল যীশু, মা মারীয়া ও প্রেরিত শিষ্যরা এবং আজও ইহুদি ভাইবোনেরা এই প্রার্থনাগুলি করে থাকে। সামসংঙ্গীত হলো এমনি একধরণের প্রার্থনা যা আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে। আমরা এর মাধ্যমে যারা দুঃখ কষ্টে ভারাক্রান্ত তাদের সাথে সহমর্মিতা প্রকাশ করতে পারি। যে তিনটি সামসংঙ্গীত এই নির্জন ধ্যানের জন্য নেওয়া হয়েছে তা সাধারণত তপস্যাকালে ব্যবহার করা হয়।

উদ্দেশ্য প্রার্থনা

ভস্ম বুধবারে আমরা প্রার্থনা করি, ‘পাপ থেকে মন ফেরাও এবং মঙ্গলসমাচারের উপর ভিত্তি করে জীবন যাপন কর’।তপস্যাকালিন এই নির্জন ধ্যানের সময় আমরা একই প্রার্থনা ঈশ্বরের কাছে করতে পারি যাতে তিনি আমাদের জীবনের পরিবর্তন আনতে সহায়তা করেন। আমরা মনে মনে ঠিক করে রাখতে পারি ঈশ্বরের কাছে কি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রার্থনা করব। আমরা বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসার জন্য ঈশ্বরের চরণে প্রার্থনা করতে পারি। প্রতিটি ধাপের প্রার্থনার পূর্বে আমরা ঈশ্বরের চরণে আমাদের প্রার্থনার ঢালি নিয়ে আসতে পারি।

of